গর্ভাবস্থায় খেজুর খাওয়ার উপকারিতা জানুন বিস্তারিত

গর্ভাবস্থায় বেশি শুয়ে থাকলে কি হয়গর্ভাবস্থায় খেজুর খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে অনেকেই জানেন না। খেজুর অত্যন্ত উপকারী এবং সুস্বাদু একটি ফল। খেজুর সকলের জন্যই উপকারী ছোট থেকে বৃদ্ধ, গর্ভবতী সবার জন্য। খেজুরে এমন কিছু উপাদান রয়েছে যা  গর্ভাবস্থায় খেলে মা এবং গর্ভস্থ শিশু দুজনেরই শারীরিক স্বাস্থ্য ভালো থাকে।

গর্ভাবস্থায়-খেজুর-খাওয়ার-উপকারিতা
আপনি কি গর্ভাবস্থায় খেজুর খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন? তাহলে আজকের এই আর্টিকেলটি আপনার জন্য। আজকের আলোচনার বিষয় হচ্ছে গর্ভাবস্থায় খেজুর খাওয়ার ফলে কি কি উপকারিতা পাওয়া যাবে। তাহলে চলুন জেনে নেয়া যাক গর্ভাবস্থায় খেজুর খেলে কি কি উপকারিতা পাওয়া যায়।

পেজ সূচীপত্রঃ গর্ভাবস্থায় খেজুর খাওয়ার উপকারিতা

গর্ভাবস্থায় খেজুর খাওয়ার উপকারিতা

গর্ভাবস্থায় খেজুর খাওয়ার উপকারিতা অনেক। গর্ভাবস্থায় খেজুর খাওয়ার ফলে শরীরের শক্তি পাওয়া যায় এবং শরীর সুস্থ থাকে। খেজুরে রয়েছে উচ্চ মাত্রার কার্বোহাইড্রেট যা গর্ভাবস্থায় খাওয়ার ফলে শরীরে শক্তি যোগায় এবং দুর্বলতা কমাতে সাহায্য করে। অনেকের গর্ভাবস্থায় কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দেখা দেয় খেজুর খেলে এ সমস্যা দূর হয়ে যায় কেননা খেজুরে রয়েছে উচ্চমাত্রার ফাইবার যা হজম শক্তিকে উন্নত করে। গর্ভাবস্থায় যাদের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা থাকে তাদের জন্য খেজুর অত্যন্ত উপকারী।

কেননা খেজুরে রয়েছে উচ্চমাত্রার পটাশিয়াম যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। গর্ভাবস্থায় বেশিরভাগ মহিলার শরীরে আয়রনের ঘাটতি দেখা দেয় এ সময় খেজুর খেলে আয়রনের চাহিদা পূরণ হবে। কেননা খেজুরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ আয়রন যা একজন গর্ভবতী মহিলার জন্য খুবই উপকারি। গর্ভাবস্থায় খেজুর খেলে সকল ধরনের পুষ্টির চাহিদা পূরণ হয়। তবে যাদের গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিস থাকে তাদের খেজুর খাওয়ার ক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে খেতে হবে।

গর্ভাবস্থায় কিসমিস খাওয়ার উপকারিতা

গর্ভাবস্থায় কিসমিস খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে অনেকেই জানেন না। তবে প্রত্যেকের জানা উচিত যে গর্ভাবস্থায় কিসমিস খেলে কি কি উপকারিতা পাওয়া যাবে। গর্ভাবস্থায় কিসমিস খাওয়া খুবই উপকারী। কিসমিসে রয়েছে আয়রন যা গর্ভবতী মহিলাদের আয়রনের ঘাটতি পূরণ করে। গর্ভাবস্থায় বেশিরভাগ মহিলার কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থাকে কিসমিস খেলে সে সমস্যার সমাধান পাওয়া যাবে। কেননা কিসমিসে রয়েছে ফাইবার যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে।

কিসমিসে রয়েছে ফলিক এসিড যা গর্ভবতী মহিলা এবং গর্ভস্থ শিশু উভয়ের জন্য অনেক প্রয়োজনীয়। নিয়মিত কিসমিস খেলে গর্ভবতী মহিলার শরীরে ফলিক এসিডের চাহিদা পূরণ হবে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। গর্ভাবস্থায় শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকে। তাই এ সময় নিয়মিত কিসমিস খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। কিসমিসে রয়েছে পটাশিয়াম যা উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

গর্ভাবস্থায় অনেকের ভালো ঘুম হয় না। কিসমিসে থাকা আয়রন অনিদ্রা সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। তাই গর্ভাবস্থায় নিয়মিত কিসমিস খেলে যাদের অনিদ্রা সমস্যা রয়েছে তাদের সে সমস্যা দূর হবে। গর্ভাবস্থায় কিসমিস খেলে গর্ভস্থ শিশুর মস্তিষ্ক গঠনে সাহায্য করে। কেননা কিসমিসে রয়েছে ম্যাঙ্গানিজ যা গর্ভস্থ শিশুর মস্তিষ্ক গঠনে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। তাই একজন গর্ভবতী মাকে নিয়মিত পরিমাণ মতো কিসমিস খাওয়া প্রয়োজন মা এবং শিশুর সুস্বাস্থ্যের জন্য।

গর্ভাবস্থায় দুধ খাওয়ার উপকারিতা

গর্ভাবস্থায় দুধ খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে আমরা সকলেই অবগত। দুধ একটি পুষ্টিকর খাবার যা বাচ্চা থেকে বৃদ্ধ সকলের জন্য উপকারী। গর্ভাবস্থায় নিয়মিত দুধ খাওয়া অত্যন্ত জরুরী কেননা দুধে রয়েছে ক্যালসিয়াম, মিনারেল যা একজন গর্ভবতী মা এবং শিশুর জন্য প্রয়োজন। গর্ভস্থ শিশু মায়ের খাবার থেকেই সকল ধরনের পুষ্টি পেয়ে থাকে। তাই গর্ভবতী মাকে শিশুর কথা ভেবে সকল ধরনের পুষ্টিকর খাবার খাওয়া প্রয়োজন।

আরো পড়ুনঃ গর্ভাবস্থায় কি কি সবজি খাওয়া যাবেনা

দুধে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টিগুণ উপাদান যা একজন গর্ভবতী মা এবং শিশুর শারীরিক সুস্থতার জন্য দরকার। দুধে থাকা পুষ্টিগুণের কারণে গর্ভস্থ সন্তানের প্রয়োজনীয় ওজন বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। মা এবং শিশুর শারীরিক সুস্থতা নিশ্চিত করার জন্য একজন গর্ভবতী মহিলাকে প্রতিদিন অন্তত আধা কেজি দুধ খাওয়া প্রয়োজন। তাই আমাদের যাদের সামর্থ্য আছে তাদের মা ও শিশুর স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে নিয়মিত আধা কেজি করে দুধ খাওয়ার চেষ্টা করবো।

গর্ভাবস্থায় ডালিম খাওয়ার উপকারিতা

গর্ভাবস্থায় ডালিম খাওয়ার উপকারিতা যে কতটুকু তা আমরা সকলেই জানি। কেননা ডালিম একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর ফল যা ভিটামিন সি, আয়রন, ফাইবার পটাশিয়াম, ভিটামিন বি, ফলিক অ্যাসিড এবং আরো অন্যান্য অনেক খনিজ উপাদানে ভরপুর। গর্ভাবস্থার ডালিম খাওয়া একজন গর্ভবতী মা এবং শিশুর জন্য খুবই প্রয়োজনীয় এবং উপকারী। গর্ভাবস্থায় বেশিরভাগ মহিলার শরীরে আয়রনের অভাব থাকে যা নিয়মিত ডালিম খাওয়ার ফলে পূরণ হওয়া সম্ভব।

গর্ভাবস্থায়-খেজুর-খাওয়ার-উপকারিতা

গর্ভাবস্থায় নিয়মিত ডালিম খেলে গর্ভস্থ শিশুর মস্তিষ্ক বিকাশে কার্যকর ভূমিকা পালন করে। গর্ভবতী মহিলাদের অনেক সময় কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা হয় যার ফলে তাদের অনেক ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। ডালিমে রয়েছে ফাইবার যা হজম শক্তি বৃদ্ধি করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। তাই একজন গর্ভবতী মহিলাকে সামর্থ্য থাকলে নিয়মিত ডালিম খাওয়া প্রয়োজন। ডালিমে থাকা পটাশিয়াম গর্ভকালীন রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

গর্ভাবস্থায় কলা খাওয়ার উপকারিতা

গর্ভাবস্থায় কলা খাওয়ার উপকারিতা কত তা বলার অবকাশ থাকে না। কেননা কলা অত্যন্ত পুষ্টিকর এবং সুস্বাদু একটি ফল এবং সর্বত্র পাওয়া যায়। কলাতে রয়েছে পটাশিয়াম, ভিটামিন বি৬, ভিটামিন সি এবং  ফাইবার যা একজন গর্ভবতী মহিলার জন্য খুবই প্রয়োজনীয় উপাদান। কলাতে থাকা পটাশিয়াম গর্ভাবস্থায় রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। গর্ভাবস্থায় বেশিরভাগ মহিলার হজম প্রক্রিয়া দুর্বল হয়। কলাতে থাকা ফাইবার হজম শক্তি বৃদ্ধি করে।

তাই একজন গর্ভবতী মহিলাকে নিয়মিত কলা খাওয়া প্রয়োজন। কলাতে থাকা ভিটামিন সি গর্ভাবস্থায় ইমিউন সিস্টেমকে উন্নত করে। গর্ভাবস্থায় কোষ্ঠকাঠিন্য একটি সাধারণ সমস্যা। কলাতে থাকা ফাইবারের কারণে হজম প্রক্রিয়া উন্নত হয় এবং কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা দূর হয়। কলাতে থাকা বিভিন্ন পুষ্টিগুণ যা একজন গর্ভবতী মা এবং শিশুর জন্য খুবই উপকারি। এজন্য গর্ভবতী মহিলার খাবারের তালিকায় অবশ্যই কলা রাখা প্রয়োজন।

গর্ভাবস্থায় মধু খেলে কি হয়

গর্ভাবস্থায় মধু খেলে কি হয় এ বিষয়টি অনেকে জানতে চান। কারণ মধুর গুনাগুন সম্পর্কে অনেকেরই ধারণা নেই। মধুর সকলের জন্যই উপকারী একটি খাবার। আমাদের নবীজী মধু খাওয়ার প্রতি গুরুত্ব দিতে বলেছেন। কেননা মধুতে রয়েছে অনেক ধরনের পুষ্টিগুঞ্জ যা একজন মানুষের জন্য খুবই উপকারী। আদিকাল থেকেই মধুর ব্যবহার হয়ে আসছে। মধু সর্দি-কাশি উপশম করতে অনেক কার্যকরী।

আরো পড়ুনঃ গর্ভাবস্থায় কি খেলে বাচ্চা ফর্সা হয়

গর্ভাবস্থায় নিয়মিত মধু খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। গর্ভাবস্থায় সর্দি কাশি হলে অনেক সমস্যা হয় কাশির কারণে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে যা একজন গর্ভবতী মহিলার জন্য ভালো বিষয় নয়। কেননা একজন গর্ভবতী মহিলার পর্যাপ্ত ঘুমের প্রয়োজন। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়। তাই গর্ভাবস্থায় সর্দি কাশির সময় নিয়ম করে মধু খেলে কাজি প্রশমিত হয় হলে ভালো ঘুম আসতে সাহায্য করে। একজন গর্ভবতী মহিলার নিয়মিত মধু খাওয়া অনেক উপকারী।

গর্ভাবস্থায় মাদার হরলিক্স খেলে কি হয়

গর্ভাবস্থায় মাদার হরলিক্স খেলে কি হয় এ সম্পর্কে অনেকেই জানতে চান। হরলিক্স একটিভ কৃত্রিম ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার যা অনেকেই খেয়ে থাকেন। তেমনি মাদার হরলিক্স এমন একটি খাবার যা গর্ভাবস্থায় অনেকেই খাওয়ার পরামর্শ দেন। কিন্তু গর্ভাবস্থায় যতটা সম্ভব প্রাকৃতিক শাকসবজি, ফলমূল খাবার খাওয়া উচিত। কেননা প্রাকৃতিক জিনিস সর্বদা মানুষের শরীরের জন্য উপকারী হয়। কিন্তু প্রক্রিয়াজাত খাবার মানুষের জন্য সবসময় উপকারী হয় না।

প্রক্রিয়াজাত খাবারে বিভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল দেওয়া থাকে। তাই গর্ভাবস্থায় মাদার হরলিক্স খাওয়ার চেয়ে প্রাকৃতিক খাবার খাওয়ায় উত্তম। তবে যদি এরকম হয় গর্ভাবস্থায় স্বাভাবিক খাবার শাকসবজি ফলমূল খেতে পারছে না সে ক্ষেত্রে শরীরে অনেক সময় পুষ্টির ঘাটতি হয়ে যাই। তাই ওই সময়ে পুষ্টির ঘাটতি পূরণের জন্য মাদার হরলিক্স খাওয়া যেতে পারে তবে তা অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে খেতে হবে। কেননা প্রক্রিয়াজাত খাবার গর্ভবতী মা এবং শিশুর জন্য অনেক সময় ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

গর্ভাবস্থায় কালোজিরা খাওয়ার উপকারিতা

গর্ভাবস্থায় কালোজিরা খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে আমরা কম বেশি সবাই জানি। কালোজিরা একটি মহা ঔষধ হিসেবে পরিচিত। কেননা হাদিস থেকে এসেছে কালোজিরা মৃত্যু ছাড়া সকল রোগের নিরাময় করতে সক্ষম। তাই কালোজিরা খেলে আমাদের সকল রোগ থেকে নিরাময় পেতে পারি। কালোজিরা খেলে একজন গর্ভবতী মহিলার হজমের সমস্যা, গ্যাসের সমস্যা, পেট ফাঁপা, মাথাব্যথা সহ আরো অনেক সমস্যা দূর হয়।

গর্ভাবস্থায় কালোজিরা খেলে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। গর্ভাবস্থায় অনেকের অনিদ্রা সমস্যা থাকে ঠিকমতো ঘুম হয় না। এ অবস্থায় নিয়মিত পরিমাণমতো কালোজিরা খেলে অনিদ্রা সমস্যা দূর হয়ে যাবে। কালোজিরা আদিকাল থেকে ব্যবহার হয়ে আসছে এবং এটাকে সকল রোগের মহা ঔষধ বলা হয়। তাই গর্ভাবস্থায় কালোজিরা খেলে গর্ভবতী মা এবং শিশুর জন্য অনেক উপকারী হবে। তবে সেটা পরিমাণ মতো খেতে হবে। কেননা অতিরিক্ত পরিমাণ কালোজিরা খাওয়া আবার স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। 

গর্ভাবস্থায় বাদাম খাওয়ার উপকারিতা

গর্ভাবস্থায় বাদাম খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে অনেকে জানতে চান। বাদাম অনেকের পছন্দের খাবার তাই গর্ভাবস্থায় বাদাম খাওয়া যাবে কিনা সেটি একটি জানার বিষয়। বাদাম নিঃসন্দেহে একটি পুষ্টিকর খাবার যা সকলের জন্য উপকারি। কিন্তু গর্ভাবস্থায় বাদাম কতটা উপকারী তা এখন আমরা জানবো। বাদাম হচ্ছে ভিটামিন এবং মিনারেল সমৃদ্ধ একটি পুষ্টিকর খাবার। বাদামে রয়েছে কেন ক্যালসিয়াম, ভিটামিন এ, ভিটামিন বি ১২ এবং ভিটামিন ডি।

গর্ভাবস্থায়-খেজুর-খাওয়ার-উপকারিতা

অনেকেই গর্ভাবস্থায় ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়া করতে পারে না। বিশেষ করে মাছ-মাংসের প্রতি অনেকের অরুচি থাকে গর্ভাবস্থায়। তাই যারা মাছ-মাংস খেতে পারেনা তাদের শরীরে বিভিন্ন ধরনের পুষ্টির ঘাটতি হতে পারে। যাদের এ ধরনের সমস্যা হয় তারা পুষ্টির ঘাটতি পূরণের জন্য বাদামকে বিকল্প হিসেবে খেতে পারেন। বাদামে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণ ক্যালসিয়াম যা গর্ভবতী মা এবং শিশুর হাড় মজবুত করতে সাহায্য করে।

বাদামে রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম যা শিশুর গর্ভস্থ ওজন বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। গর্ভস্থ শিশুর স্বাভাবিক মস্তিষ্ক বিকাশের জন্য যেসব উপাদান প্রয়োজন হয় বাদামে তা রয়েছে। তাই একজন গর্ভস্থ মহিলা নিয়মিত ভাবে পরিমাণ মতো বাদাম খেলে তার গর্ভস্থ শিশুর স্বাভাবিক বিকাশে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। বাদামে রয়েছে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। তা একজন গর্ভবতী মাকে নিজের এবং শিশুর স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে নিয়মিত বাদাম খাওয়া প্রয়োজন।

গর্ভাবস্থায় কালোজিরা খাওয়ার নিয়ম

গর্ভাবস্থায় কালোজিরা খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে অনেকে জানতে চান। কেননা গর্ভাবস্থায় কালোজিরা খাওয়া কতটা উপকারী বা কতটা পরিমাণে খেতে হয় এটা অনেকেই জানেন না। কালোজিরা যদিও অনেক উপকারী একটি খাবার তবুও এটি গর্ভাবস্থায় খাওয়ার সময় অনেক ভেবেচিন্তে বা ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে খেতে হয়। কেননা অতিরিক্ত পরিমাণে গর্ব অবস্থায় কালোজিরা খেলে গর্ভপাতের আশঙ্কা থাকে।

গর্ভাবস্থায় অনেক মহিলার গ্যাসের সমস্যা থাকে তারা কালোজিরা খেলে গ্যাসের সমস্যা থেকে নিরাময় পেতে পারে। তবে কালোজিরা খুবই অল্প পরিমানে খেতে হবে। যেমন ধরুন এক চিমটি কালোজিরা এক চামচ মধুর সাথে চিবিয়ে খেতে পারে। তাহলে গ্যাসের সমস্যা অনেকটা কমে যাবে। তবে এটা প্রতিদিন না খাওয়া ভালো খুব বেশি গ্যাসের সমস্যা হলে মাঝে মাঝে খেতে পারে। গর্ভাবস্থায় যেহেতু একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং সংবেদনশীল সময় তাই এ সময়ে যেকোনো খাবার ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে খাওয়া উচিত।

লেখকের মন্তব্যঃ গর্ভাবস্থায় খেজুর খাওয়ার উপকারিতা

গর্ভাবস্থায় খেজুর খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে উপরে আলোচনা করা হয়েছে এবং সেই সাথে গর্ভাবস্থায় আরো কি কি খেলে উপকার হবে বা অপকার হবে সে বিষয়েও আলোচনা করা হয়েছে। আশা করছি আর্টিকেলটি পড়ে আপনারা গর্ভাবস্থায় বিভিন্ন খাবার সম্পর্কে উপকারী তথ্য জানতে পেরেছেন। গর্ভাবস্থা মেয়েদের জীবনের সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ একটি সময়। এ সময় তাদের জীবনে অনেক ধরনের শারীরিক এবং মানসিক পরিবর্তন আসে।

এ সময় মহিলাদের অনেক আত্মত্যাগ করতে হয়। খাওয়া থেকে শুরু করে লাইফস্টাইল সবই পরিবর্তন করতে হয়। এই সময় তাদের নিজেদের এবং সন্তানের স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে নিজের অনেক পছন্দের খাবার বাদ দিতে হয় আবার অনেক খাবার যেগুলো পছন্দ না সেগুলো খেতে হয়। তাই এই সময়টা মেয়েদের জন্য খুবই কঠিন একটা সময়। গর্ভাবস্থায় মেয়েদের গর্ভস্থ শিশুর সুস্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে পুষ্টিকর খাবার খাওয়া উচিত। এবং অনেক ধরনের খাবার আছে যেগুলো খাওয়ার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে খাওয়া উচিত।



এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আর এস ড্রিমস ব্লগেনীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url